
নিজের ভুলের জন্য খোরশেদ আলম ও সর্বসাধারণের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চান তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সর্বসাধারণের কাছে ও খোরশেদ আলম এর কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
মৃত্যুর কথা স্মরণ করে মনাজির খান (৭৬) গফুর মেনশন, এলিফ্যান্ট রোড ,নিউমার্কেট থানার বাসিন্দা বলেন, আপনারা সাংবাদিক ভাই, এই মার্কেটের দোকানদার ভাই, এবং কর্মচারী ভাই আমি চল্লিশ বছর থেকে এই মার্কেটের জুতার ব্যবসা করি, সেই সুবাদে আমার পুত্র খোরশেদ আলম এই মার্কেটে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এবং দেশের বাইরে থেকে জুতা আমদানি করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে, একজন বাবা হিসেবে আমি তার উপরে গর্ববোধ করি। কিন্তু ছোট একটা কথা কাটাকাটির জের ধরে এবং আমার বড় মেয়ে সীমা পারভীন (মুন্নির) উস্কানিতে আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছিলাম। সাংবাদিক দের মিথ্যা তথ্য খবর প্রচার করিয়েছি, তার মান সম্মান ক্ষতি নষ্ট করার মত কাজ করেছি। তারপরও খোরশেদ আলম (৪৭) আমাকে ক্ষমা করেছে।
পরিবারে ক্ষেত্রে এটি ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য ব্যবহৃত হয়। আমি মনাজির খান (৭৬) তিন ছেলে ও চার কন্যা সন্তারে জনক। আর এই ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক ছিল আমারী বড় মেয়ে সীমা পারভিন মুন্নি, এটি একটি গোপন পরিকল্পনা, যা জনসমক্ষে আনা উচিত। আমার বড় মেয়ে সীমা পারভিন মুন্নি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র কারলে, আমি আমার তিন ছেলে ১. খোরশেদ আলম ২. মোক্তার আলম ৩. সানি আলম ৪. স্ত্রী হামিদা বেগম ৫.মেজো মেয়ে সহ ছোট দুই মেয়ের নামে অভিযোগ করেছিলাম। আমার বড় মেয়ে সীমা পারভিন মুন্নি এর সরলতার অভিনয়ে আমার সাথে চক্রান্ত ও , ষড়যন্ত্র এর ফাঁদে পরে, আমি মোহাম্মাদপুর একটি ফ্ল্যাট বাসা প্রাঢ ৮০০ স্কয়ার ফিট আমার স্ত্রীর সন্তানদের না জানিয়ে, তার নামে হেবা করে দেই এবং প্রতি মাসে তাকে ২০ হাজার টাকা করে খরচের জন্য দিয়ে থাকি,তার স্বামী মারা যায় প্রায় ৮ বছর পূর্বে। সে আর তার দুইটা কন্যা সন্তানের মুখ দেখে আমার কষ্ট হলেও, আমি তাকে মাসিক খরচের টাকা দিয়ে থাকি। আমার ছেলেরাও তাকে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তার খরচের টাকা দিয়ে দেয়। আমি বাংলা লেখা পড়া জানি না, আমার অজান্তে বড় মেয়ে মেয়ে সীমা পারভিন মুন্নি একাধিক ননজুডিসিয়া ব্লাঙ্ক স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে যায়। এই স্ট্যাম্পের সাথে আরো লেখাছাড়া স্ট্যাম্প ও সাদা কাগজে কোটে মামলার জন্য বলে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে যায় ।
হাঠাৎ আমি জানতে পারি, ,সে ঐ ননজুডিসিয়া ব্লাঙ্ক স্ট্যাম্পে আমার বিরোদ্ধে অর্থ সম্পদ আত্নসাত কারার পায়েত্রা করছে বলে জানতে পারি । তখন আমার ছেলে রা জানতে পেরে তার মা অর্থাৎ আমার স্ত্রী কে জানায় পরে আমি অন্য মেয়েরাও জেনেফেলে। তখন আমার পরিবারে সকলেই প্রথমে আমার স্ত্রী হামিদা বেগম সহ তিন ছেলে ও তিন কন্যা প্রতিবাদ প্রতিক্রিয়া করে ।
ঐ সময়ও আমি বুঝতে পারি নাই যে,বড় মেয়ে সীমা পারভিন মুন্নি এর চক্রান্ত , ষড়যন্ত্র ,প্রতারনা। আমার বড় মেয়ে সীমা পারভিন মুন্নি এর চক্রান্ত , ষড়যন্ত্র ,প্রত্যারনা জালে পরে আমার স্ত্রী, আমার বড় ছেলে বিশিষ্ট্য জুতা ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম সহ আরো দুই ছেলে ও মেয়েদের নামে মিথ্যা অভিযোগ ও মিডিয়াতে মিথ্যা প্রচারনা করিয়েছিলাম। আমি ভুলে গিয়েছিলাম সীমা পারভিন মুন্নি এর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র , আমি তা ঐ সময় বুঝতে পারিনি। আমি আজ বুঝতে পেরেছি অনুভোব করতে পেরেছি, তাই আমি আমার পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রর্থনা করছি । আমার এই সাংবাদ প্রকাশনা দেখে অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন,যে কেন আমি এই সব কথা বা আমার বক্তব্য পত্রিকাতে প্রকাশ করেছে। আমি ঐ সময় বলব হ্যাঁ, যে ভুলের কারণে আমি ,আমার পরিবারে সম্মান নষ্ট ধুলিসাত করেছিলাম এটা শুধ ফিরিয়ে দেওয়া সামান্য চেষ্টা মাত্র।
মানাজির খান, বলেন আমার যা কিছু আছে আমার সব সন্তানদের সম-অধিকার ও হক,আছে। উপস্থিত সাংবাদিক সহ- ব্যবসায়ীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আশেপাশে ও প্রতিবেশি দোকানদারদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মনাজির খান একজন বদ মেজাজি স্বভাবের ব্যক্তি , প্রায় দিন তিনি আশেপাশের দোকানদার, কর্মচারী, এমনকি কাস্টমারদের সাথেও গালাগালি এবং দুর্ব্যবহার করেন থাকেন মনাজির খান, কোন কথা বললে পাঁচ মিনিট পরে সে ভুলে যায়, মাঝে মাঝে মানসিক রোগীর মত আচরণ করে থাকেন তিনি।
এই বিষয়ে খোরশেদ আলম এর সাথে কথা বললে , জানা যায় বয়স ও বাড়ধ্যক্ষ কারণে তিনি খ্যাটখ্যাটা স্বভাবের হয়ে গিয়েছেন কাকে কি বলে নিজেও বুতে পারি না , উনার চিকিৎসা চলছে । এই বিষয়ে সাংবাদিক আপলাকালে তার ছোট বোন সীমা পারভীন মুন্নি দোষারোপ করেন, এবং তিনি বলের তার বাবা মানসিক ভাবে অসুস্থ ও ভুলে যাওয়া রোগ কে সীমা পারভীন মুন্নি তার প্রতারনা রূপ দিয়ে তার কাজে লাগিয়েছে । সে ভুলে গিয়েছে যে, সে ছাড়া ঐ বাবার আরো সন্তান রয়েছে । এলিফেন্ট রোডের গফুর মেনশন মার্কেটের প্রতিটি দোকানদার বলেছে খোরশেদ আলম একজন ভালো ব্যবসায়ী ভদ্র সুজনশীল মানুষ তিনি গফুর মেনশন মার্কেটের প্রত্যেকটা দোকানদারে বিপদে সাহায্য হাত সবার আগে তিনি বাড়িয়ে দেন এ ব্যাপারে কথাটি বলেছেন।
মানাজির খান সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি বলেন, আমি একজন মানুষ। ফেরেশতা এবং শয়তানের ভুল হয় না। মানুষ হিসেবে আমার ভুল হতেই পারে। পরিবারে কেউ না কেউ ষড়যন্ত্র কারী থাকে আমি তার শিকার, অনেক সময় অনেক কথা বলতেই হয়। হয়তো আমার পরিবারে যারা আছেন তারা কষ্ট পান। আমি তাদের সকলের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি হাত জোড় করে। ভুল ত্রুটি হতেই পারে, হয়তো হয়েছেও। তাই সকলের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি আরো বলেন আমার বয়স ৭৬ শেষ অনেক কিছু মনে থাকনো এখন যা বলি কিছুক্ষন পর তা ভুলে যাই। কারও কথা স্বরণ রাখতে পারি না। আমি বর্তমান বয়সের কারণে মানসিক ভার্সম্য হাড়িয়েছি । আমার দ্বাড়া কোন প্রকার ভুলত্রুটি কিছু হলে সরাসরি আমার বড় ছেলে বিশিষ্ঠ জুতা ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম কে জানাবেন। আমি মরে গেলে আর ফিরে আসবো না এটাই সত্য। আপনারা দোয়া করবেন।
আমার বড় ,মেয়ের উদ্দেশ্য সাধারণত খোরশেদ আলম ক্ষতি করা বা তার মান-সম্মান ক্ষেতি নষ্ট করার মত ষড়যন্ত্র, বা ফৌজদারি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে চক্রান্ত , ষড়যন্ত্র। ইতিহাসে অনেক বড় ঘটনার পেছনে এমন ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ পাওয়া যায়।
পুলিশের কাছে অভিযোগ করে ছিলাম এছাড়া তিনটি পত্রিকায় খবর প্রচার করিয়েছিল ১.সাপ্তাহিক বাংলার গর্জন
২. দৈনিক তথ্যনুসন্ধান ও ৩ দৈনিক ভোররে আওয়াজ পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে , তার মান-সম্মান ক্ষেতি নষ্ট করার মত অপরাধ করেছি ,যা হয়তো একার পক্ষে এটা দূর করা সম্ভব নয়। আপনারা দোয়া করবেন,ষড়যন্ত্র কারী বিরুদ্ধে যেন দাড়াতে পারি , নির্বিশেষে সমাজের সকল ভালো মানুষদের নিয়ে যেন আমি খোরশেদ আলম পাশে থাকতে পারি। আমি যেন খোরশেদ আলম সহ বাকি দুই ছেলে তিন মেরে জন্য শান্তি এনে দিতে পারি। আমি যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি এবং আপনাদের কাছে দোয়া ও আমার ভুলের ক্ষমা চাই।