খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

রুদ্রের প্রতি এক অব্যক্ত আকাঙ্ক্ষা: প্রেম ও আত্মানুসন্ধানের এক কাব্যিক যাত্রা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রুদ্রের প্রতি এক অব্যক্ত আকাঙ্ক্ষা: প্রেম ও আত্মানুসন্ধানের এক কাব্যিক যাত্রা

অলংকরণ: মাসুক হেলাল

এক গভীর আকাঙ্ক্ষা ছিল কেবল রুদ্র হয়ে ওঠার। হয়তো দুপুরের বৃষ্টিতে ভেজা, বগলে তালিযুক্ত পাঞ্জাবিটি বিকেলেও সম্পূর্ণ শুকায়নি। কিন্তু ততক্ষণে উত্তপ্ত পিচঢালা পথ থেকে বৃষ্টির শেষ কণাটুকু মিলিয়ে গেছে মুহূর্তে। সেই তালিযুক্ত, জীর্ণ পোশাকে আবৃত হয়ে আমি দাঁড়িয়েছিলাম গনগনে পিচের রাস্তায়, কেবল এক ঝলক দেখার আশায়।

কেন রুদ্র, সেই আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হতে দিলে না? কেন এত কাছে এসে তোমার কোমল হাত আমার হাতে রাখলে? কেন তোমার কানে গোঁজা রজনীগন্ধার ঘ্রাণে আমি যেন এক অদৃশ্য বন্ধনে আবদ্ধ হলাম?

আমার একমাত্র বাসনা ছিল রুদ্রের সত্তায় বিলীন হওয়া। হয়তো এই প্রাপ্তিহীনতার বেদনাকে আমি নেশায় পরিণত করে বাতাসে ভাসিয়ে দিতাম। আমি তো শুধুই রুদ্র হতে চেয়েছিলাম। হয়তো রাতকে দিন ভেবে, জীর্ণ টেবিলে মাথা গুঁজে লিখে চলেছি অজস্র প্রেমের কবিতা। সেই নোনাজল-কালির টানেই তুমি আমার কবিতার ছন্দে, আমার কল্পনার উঠোনে উঠে এলে। হয়তো কেউ কখনও ছাপবে না জেনেও, ঘুমের পরোয়া না করে লিখেছি শত শত পঙক্তি, হাজারো কল্পনা আর কিছু চুম্বন।

কেন রুদ্র, আমাকে সেই রুদ্র হতে দিলে না? কেন রাতের অবসান হলে তুমি দরজায় দেখা দিলে? হাতে মুঠো মুঠো কবিতা দেখে, কেন মৃদু হেসে জানতে চাইলে—‘আমাকে নিয়ে লিখেছ?’ আমার তো কেবল রুদ্র হয়ে ওঠার সাধ ছিল—কেন তোমার আগমনে সেই কবিতাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ যেন হারিয়ে গেল?

হয়তো আমি নিজেকে এক ভিন্ন জগতে, এক ভিন্ন মাত্রায় দেখতে চেয়েছিলাম। ত্রিমাত্রিক জাগতিক জীবনের মোহ ত্যাগ করে, হয়তো পাড়ি দিচ্ছিলাম এক অনন্ত যাত্রাপথে—হয়তো শুয়ে ছিলাম হৃৎস্পন্দনহীন অবস্থায়, প্রাপ্তিহীনতার কষ্টকেই সুখ ভেবে। কেন তোমার অশ্রু আমাকে ফিরিয়ে আনলো? কেন রুদ্র, আমাকে সেই রুদ্র হতে দিলে না? অন্তত একবারের জন্য হলেও, আমি কেবল রুদ্র হতে চেয়েছিলাম।

পাঠকেরা দূর পরবাসে তাদের জীবনের গল্প, বিভিন্ন আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন। যোগাযোগের জন্য ই-মেইল ঠিকানা: dp@prothomalo.com।

advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বিশু সাহা
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

ময়মনসিংহ সদর বেগুন বাড়ির স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী অবস্থায় যে লাশটি পাওয়া গিয়েছিল সে একজন পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং ময়মনসিংহ আঠার বাড়ি বিল্ডিং একটি জুয়েলারি দোকানে কারিগরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) পিতা মৃত্যু: রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধর, পোস্টমর্টেমের সময় নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মাথায় ও বুকে কূপের আঘাত ছিল বলে জানায় পুলিশ। অন্য একটি  সূত্র থেকে জানা যায়, জুয়েলারি কারিগরি পেশার পাশাপাশি পার্টনার হিসেবে অটো রিক্সা বাইকের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্থায়ী ঠিকানা ত্রিশাল হলেও সে স্টেডিয়ামের পিছনে বাড়ি করে পরিবারের স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে  বসবাস করতেন বলে জানা যায়।

This man built a plane for his family in his garden

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
This man built a plane for his family in his garden
It wasn't until he moved near to an airfield in the UK over a decade ago that mechanical engineer Ashok Aliseril Thamarakshan began to seriously consider learning to fly a plane.