খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কোরআনে মানবভ্রূণের ক্রমবিকাশ ও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিখুঁত সামঞ্জস্য

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কোরআনে মানবভ্রূণের ক্রমবিকাশ ও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিখুঁত সামঞ্জস্য

আধুনিক ভ্রূণবিদ্যা ও চিকিৎসাবিজ্ঞান আলট্রাসাউন্ড এবং অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সহায়তায় মাতৃগর্ভে মানবশিশুর বৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপ আবিষ্কার করেছে খুব বেশি দিন হয়নি। অথচ চৌদ্দশত বছর আগেই পবিত্র কোরআনে ভ্রূণ সৃষ্টির প্রতিটি সূক্ষ্ম পর্যায় অত্যন্ত চমৎকার ও বিজ্ঞানসম্মত পরিভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

মানব সৃষ্টির সূচনা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনের সুরা আদ-দাহরের ২ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্রিত বীর্য (নুতফাতুন আমশাজ) থেকে...।’ আরবিতে ‘আমশাজ’ শব্দের অর্থ সংমিশ্রণ। বর্তমান বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত যে, কেবল পুরুষের শুক্রাণু কিংবা নারীর ডিম্বাণু দিয়ে ভ্রূণ তৈরি হয় না; বরং উভয়ের মিলনেই এই প্রক্রিয়ার সূত্রপাত ঘটে, যাকে কোরআন ‘নুতফাতুন আমশাজ’ বলে অভিহিত করেছে।

গর্ভধারণের কয়েক দিনের মাথায় ভ্রূণটি জরায়ুর দেওয়ালে শক্তভাবে এঁটে থাকে। পবিত্র কোরআনে এ স্তরকে ‘আলাকাহ’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, ‘অতঃপর আমি নুতফাকে আলাকায় পরিণত করেছি...।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ১৪)। আরবি ‘আলাকাহ’ শব্দের তিনটি প্রতিশব্দ রয়েছে—জোঁক, ঝুলে থাকা কোনো বস্তু এবং জমাট রক্তপিণ্ড। লক্ষণীয় বিষয় হলো, গর্ভধারণের ১৫ থেকে ২৪ দিনের মাথায় ভ্রূণটি দেখতে হুবহু জোঁকের মতোই রূপ নেয়। এমনকি জোঁক যেমন অন্যের রক্ত শুষে বাঁচে, তেমনি ভ্রূণটিও জরায়ুর গায়ে ঝুলে থেকে মায়ের রক্ত থেকেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিরস গ্রহণ করে থাকে।

বিকাশের পরবর্তী স্তরকে কোরআনে ‘মুদগাহ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ১৪), যার আভিধানিক অর্থ ‘দাঁতে চিবানো এক টুকরো মাংস’। অণুবীক্ষণ যন্ত্রে চার সপ্তাহের একটি ভ্রূণ পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এর পিঠের সোমাইট বা অস্থির আদি খাঁজগুলো দেখতে পুরোপুরি কামড়ের চিহ্নের মতো লাগে; যেন এক খণ্ড চুইংগাম বা গোশত চিবিয়ে রাখা হয়েছে।

চিবানো গোশতপিণ্ডের মতো ধাপ অতিক্রমের পর ভ্রূণে হাড় ও মাংসপেশির উন্মেষ ঘটে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতঃপর আমি মুদগাহকে হাড়ে (ইজাম) পরিণত করেছি, এরপর সেই হাড়কে গোশত দ্বারা আবৃত করেছি...।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ১৪)। ১৯৯৯ সালে রিয়াদের দারু তাইয়িবাহ থেকে প্রকাশিত ‘তাফসিরুল কুরআনিল আজিম’ গ্রন্থের ৫ম খণ্ডের ৪৬৪ পৃষ্ঠায় ইবনে কাসির উল্লেখ করেছেন, এই পর্যায়ে কঙ্কালের কাঠামো গঠিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে মাংসপেশি ও রগ দ্বারা তা ঢেকে দেওয়া হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানও একই কথা বলে—প্রথমে তরুণাস্থি বা হাড়ের ফ্রেম তৈরি হয় এবং তার পরেই পেশিকলা বা মাসল টিস্যু সেই হাড়কে আচ্ছাদিত করে।

মাতৃগর্ভে ভ্রূণটি তিনটি অন্ধকারের পর্দায় সুরক্ষিত অবস্থায় বৃদ্ধি পায়। সুরা জুমারের ৬ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘তিনি তোমাদের মায়ের গর্ভে পর্যায়ক্রমে সৃষ্টি করেছেন তিনটি অন্ধকারের মধ্যে (জুলুমাতিন সালাস)।’ এই তিনটি পর্দা হলো—মায়ের পেটের বাইরের দেওয়াল, জরায়ুর দেওয়াল এবং ভ্রূণকে ঘিরে থাকা অ্যামনিওটিক থলি।

শারীরিক অবকাঠামো পূর্ণতা পাওয়ার পর তাতে রুহ বা আত্মা সঞ্চারিত হয়। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এরপর আমি তাকে এক নতুন সৃষ্টিরূপে দাঁড় করিয়েছি’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ১৪)। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই পর্যায়গুলোর সময়রেখা স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান মায়ের গর্ভে ৪০ দিন পর্যন্ত বীর্যরূপে (নুতফাহ) জমা থাকে। এরপর পরবর্তী ৪০ দিন তা জমাট রক্তপিণ্ড (আলাকাহ) হিসেবে থাকে। এরপরের ৪০ দিন তা গোশতপিণ্ড (মুদগাহ) হিসেবে থাকে। এরপর আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা পাঠানো হয়, যিনি ওই ভ্রূণের ভেতর রুহ (আত্মা) ফুঁকে দেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২০৮)। ফলে গর্ভধারণের ঠিক ১২০ দিন পর ভ্রূণটি আত্মিক ও শারীরিকভাবে একজন পূর্ণাঙ্গ মানবের মর্যাদা লাভ করে।

advertisement
advertisement

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে ৩৯ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে ৩৯ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে (বিএসসি) চুক্তিভিত্তিক জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ৯টি পৃথক ক্যাটাগরিতে মোট ৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা নির্ধারিত বেতন কাঠামো অনুসারে পারিশ্রমিক পাবেন এবং এই চুক্তির মেয়াদ হবে ৪ থেকে ৯ মাস।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শূন্য পদগুলোর মধ্যে মাস্টার পদে ৪ জন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার পদে ৪ জন, চিফ অফিসার পদে ৪ জন, সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার পদে ৪ জন, থার্ড ইঞ্জিনিয়ার পদে ৪ জন এবং সেকেন্ড অফিসার পদে ৪ জন নেওয়া হবে। এ ছাড়া থার্ড অফিসার/জুনিয়র অফিসার পদে ৫ জন, ৪র্থ ইঞ্জিনিয়ার/জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে ৫ জন এবং ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার/জুনিয়র ইটিও পদে ৫ জন নিয়োগ পাবেন।

আগ্রহী প্রার্থীদের যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র ডাকযোগে কিংবা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। ডাকযোগে পাঠানোর ঠিকানা: মহাব্যবস্থাপক, শিল্প পার্সোনেল বিভাগ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বিএসসি ভবন, পোস্ট বক্স নং-৬৪১, সল্টগোলা রোড, চট্টগ্রাম। ই-মেইলে আবেদন পাঠাতে হবে gm-spd@bsc.gov.bd ঠিকানায় এবং অনুলিপি (CC) দিতে হবে mdsec@bsc.gov.bd ঠিকানায়। আগামী ১০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে জানা যাবে।

চার দশকে ৪৫৩ কোটি টাকার দাবি মেটাল ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চার দশকে ৪৫৩ কোটি টাকার দাবি মেটাল ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স

ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু; সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি সাঈদ আহমেদ; এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক এবং ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানসহ অন্যরা

বেসরকারি খাতের নন-লাইফ বিমা প্রতিষ্ঠান ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স চার দশক পূর্ণ করেছে। ১৯৮৬ সালে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এ যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি সর্বমোট ৪৫৩ কোটি টাকার বিমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে। একই সঙ্গে এই সময়ে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮৩ কোটি টাকা লভ্যাংশ প্রদান এবং জাতীয় কোষাগারে কর বাবদ ৮৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে তারা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে প্রতিষ্ঠানটি এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।

৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি সাঈদ আহমেদ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান অর্থনীতিতে বিমা খাতের ভূমিকা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি তুলে ধরেন, দেশের জিডিপিতে এ খাতের অংশীদারত্ব মাত্র শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ, যেখানে অন্যান্য উদীয়মান বাজারে এর গড় হার ২ দশমিক ৫ শতাংশ। মোটর বিমা বাধ্যতামূলক নয় এমন একমাত্র দেশ বাংলাদেশ উল্লেখ করে তিনি ‘সড়ক পরিবহন (সংশোধন) আইন, ২০২৪’ পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। এ ছাড়া করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান, ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধসহ শিল্প খাতের প্রতিকূলতায় বেসরকারি খাত রক্ষায় বিমা খাতের কার্যকর অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি রপ্তানিমুখী শিল্পের ক্ষয়ক্ষতি রোধে সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ কামনা করেন।

অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা, মিলছে দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা, মিলছে দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ

ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে অভিভাবকের সঙ্গে এক পরীক্ষার্থী

অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তির সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখে স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজ এবং লালমনিরহাটে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর আগের দিন, ৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা ক্যাম্পাসে স্নাতকোত্তরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ শিক্ষাবর্ষে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, ফলে ২০২৫ সালে উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও শর্তপূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে চারটি শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। বিষয়গুলো হলো—বিএসসি ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন অ্যাভিওনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যারোস্পেস) এবং বিএসসি ইন এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যাভিওনিক্স)।

আবেদনের জন্য প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কিংবা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে বিজ্ঞান শাখায় (গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নসহ) ২০২৩ অথবা ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪ দশমিক ৫০ এবং ২০২৫ অথবা ২০২৬ সালের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪ দশমিক ৫০ পেতে হবে। বিদেশি বোর্ডের ক্ষেত্রেও সমমানের গ্রেড নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। এ ছাড়া জিসিই ও-লেভেল প্রার্থীরা ২০২২ বা ২০২৩ সালে ৫টি বিষয়ে (পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজিসহ) এবং এ-লেভেল প্রার্থীরা ২০২৪ বা ২০২৫ সালে অন্তত ৩টি বিষয়ে (পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত) কমপক্ষে ‘বি’ গ্রেড বা সমমান পেলে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনকারীদের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে যোগ্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হবে। মোট নম্বর অভিন্ন হলে যথাক্রমে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং শেষে রসায়নের প্রাপ্ত নম্বরকে অগ্রাধিকার বিবেচনা করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। ১০০ নম্বরের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক এবং ৪০ নম্বরের লিখিত প্রশ্ন থাকবে, সময় ২ ঘণ্টা। জাতীয় শিক্ষাক্রমের উচ্চমাধ্যমিক সিলেবাস অনুযায়ী গণিতে ৪০, পদার্থবিজ্ঞানে ৩০, রসায়নে ২০ ও ইংরেজিতে ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। স্নাতকোত্তরের ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষাতেও ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক ও ৪০ নম্বরের বর্ণনামূলক প্রশ্নের জন্য ২ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (https://aaub.edu.bd/) পরবর্তীতে প্রকাশ করা হলেও আবেদন ফি বাবদ ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।